কুকুর বিড়াল ঘাস খায় কেন দেখা যায় |
কুকুর বিড়াল মাংসাশী প্রাণী হলেও অনেক সময় দেখা যায় কুকুর-বিড়াল ঘাস খায়। কিন্তু কেন বিড়াল মাংস না খেয়ে ঘাস খায় কুকুরই বা কেন ঘাস খায় যদি আপনি ঘাস খাওয়ার দৃশ্য দেখে থাকেন তাহলে কুকুর বিড়াল ঘাস খায় কেন এই প্রশ্নটিই আপনার মাথায় অবশ্যই এসেছে।
সম্প্রতি নতুন একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই একটি চমকপ্রদ তথ্য, গবেষকরা বলেন প্রাচীনকাল থেকেই বিড়ালের ঘাস খাওয়ার অভ্যাস ছিল জিনগত কারণে সেটি এখনো রয়ে গেছে।
চলুন তাহলে জেনে নেই এই প্রাণীগুলো কুকুর বিড়াল ঘাস খায় কেন এদের শরীরে কি কি উপকার দেখা দেয় বা কি ধরনের পরিবর্তন হয়।
আরো খবর
পরুনঃ যে ৬টি হিংস্র
প্রাণী কামরালে নিশ্চিত মৃত্যু
যেস কল পশু প্রাণীগুলোকে পোষা হয় এদের চিকিৎসার জন্য ডাক্তার হাসপাতাল রয়েছে, কিন্তু যে সকল প্রাণীরা বনেজঙ্গলে বিচরণ করে এদের চিকিৎসার জন্য কোন ডাক্তার বা হাসপাতালে ব্যবস্থা নেই। তাই বলে এদের চিকিৎসা ব্যবস্থা থেমে নেই এরা নিজেদের চিকিৎসা নিজেরাই করে নিতে ওস্তাদ।
কিন্তু কীভাবে তারা ঔষধ ঠিক করে এ বিষয়ে গবেষকরা বিস্তর গবেষণা করে দেখেছেন কুকুরের বা বিড়ালের পেটে অসুখ হলে ওরা ঘাস লতাপাতা খেয়ে বমি করে সুস্থ হয়ে ওঠে। অর্থাৎ কুকুর-বিড়াল ঘাস খেয়ে তাদের শরীরের ভিতরে দূষিত পদার্থ বের করে দেয় ঘাস খাওয়ার ফলে তাদের বমি করার সুবিধা হয়।
ব্যতিক্রমী দেখা যায় আপনি কি ধরনের শিপাঞ্জি পেটের অসুখ হলে বেরোনিয়া নামক উদ্ভিদের বিষাক্ত ফল খেয়ে অনায়াসেই সুস্থ হয়ে ওঠে। কিন্তু ফলটি এতটাই বিরক্ত যে অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে কিন্তু ওই প্রজাতি শিপাঞ্জি ঔষধ সম্পর্কে ভালোই জানে তারা নির্দিষ্ট পরিমাণ ফল খায়।
কোনো প্রাণী, যেমন হাতি অনেক সময় মাটি খায়। দেখা গেছে, কাদামাটিতে বিভিন্ন খনিজ লবণ থাকে, যা প্রাণীর শরীরের জন্য প্রয়োজন। মাটি বিষনাশক হিসেবেও কাজ করে। কোনো কোনো বুনো উদ্ভিদ আত্মরক্ষার জন্য নিজ দেহে বিষাক্ত পদার্থ জন্ম দেয়।
কোনো প্রাণী সেই উদ্ভিদ খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ ধরনের আপদ থেকে বাঁচার জন্য অনেক প্রাণী মাটি খায়। কারণ, মাটিতে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা প্রাণীকে বিষক্রিয়ার হাত থেকে বাঁচায়।
বুনো পশুপাখিরা এই সব ডাক্তারিবিদ্যা বংশগতির ধারায় উত্তরাধিকারসূত্রে অর্জন করে। কুকুর বিড়াল বা পশুপাখিরা কি কারনে ঘাস খেয়ে থাকে কুকুর বিড়াল ঘাস খায় কেন এ সম্পর্কে যদি আপনার কাছে কোন সঠিক তথ্য থেকে থাকে সেটি অবশ্যই শেয়ার করতে পারেন আর্টিকেলটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য জানাতে অবশ্যই কমেন্ট করে সাথে থাকবেন .
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন